বাংলা নতুন কবিতা


মেঘের কান্না

 আবদুর রহমান 


কতো মানুষ ব্যাস্ত কোলাহল, 

আমি একা রাস্তার পাসে দারিয়ে ! 

মটরযান যাচ্ছে তার নিজ গতিতে, 

আমি রাস্তার পাসে দারিয়ে ! 

জষ্ঠো'র এক মুগ্ধকর ঘ্রান বইছে চারো দিকে, সারা দিন কাজের শেষে কর্মজীবী ফিরছে ঘরে, আম,লিচু কাঠাল নিয়ে ফিরবে ঘরে, 

অর্ধঙ্গী ব্যাস্ত অপেক্ষায়,

ছোট্ট মনিটা দুয়ারের কোটরে 

বাবা ফীরবে তার হাসি নিয়ে ?

আমি রাস্তার পাসে দারিয়ে দেখছি, 

হঠাৎই মনে হলো সবুজ খাশে একটু বসি। 

চোখ গেলো দূর আকাসে, দেখি পাখিরাও ফিরছে ঘরে, 

রাস্তার অপারে দেখি, এক যুবক যুবতী বলছে 

চির দিন দুজনে থাকবো পাসে। 

আমি প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে বলছি ভ্যাংগে না যেনো এদের মন অনাটনে। 

কিছু মাছ জলাসয়ে করছে খেলা, 

পরক্ষণেই কালো বলাকা এসে উর্ধের আকাশটা ছেয়ে গেলো। 

আমি সবুজ ঘাসে নিজেকে শপেছি অনন্ত ভেবে। 

ফোটাদয় জলো রাশি আমায় যাগিয়ে দিলো, 

সবাই ছুটা ছুটি করছে, 

আমি স্পষ্ট দেখছি যুবকের চোখের কোণে জল, 

যেনো বিস্টির সাথে মিলে যাচ্ছে নিজের কস্ট গুলো। 

আজ যুবকের কান্নার সাথে আকাশ কাদছে।

আমি ব্যাস্ত কোলাহল ছেরে বসে ছিলাম, সান্ত ছিলনা আমার মন। 

মেঘের কোল দিয়ে সূর্যটাও হারিয়ে গেলো। বসুন্ধরা করে গেলো অন্ধকার। 

ব্যাস্ত পরিবেশ কি ল্যাম্পপোস্ট পারিবে করিতে উজ্জ্বল। 

তবুও কিছু জ্বলছে মোরের কোনে কোনে। 

আবার সব সান্ত হয়ে যাচ্ছে,

সবাই চলে গেছে ক্লান্ত শেষে।

আবার নতুন সকাল, নতুন মানুষ, কন্নার নতুন আর এক কারন। 

ভালো থাকুক সেই কস্ট ধারি মানুষ যারা নিজের কান্নাকে লুকিয়ে রেখে আমাদের দিচ্ছে হাসিময় জীবন। 


নতুন ভোর

 আবদুর রহমান 

দক্ষিণের বাতাস বইছে, আকাসে কালো মেঘ ! 
সমুদ্র উতালা হয়েছে, দিচ্ছে জলের হুংকার ! 
নদির বাধ ভেঙ্গে, আজ চারো দিক সাধা"

আমি শুন্যে স্থানে দারিয়ে দেখছি। 

ডানা ছরিয়ে পাখি ফিরছে ঘড়ে"
দিবা'তে অন্ধকার ছেয়ে গেছে ! 
চারো দিকে ধুসার কুয়াশা নেমেছে" 

আমি শুন্যে স্থানে দারিয়ে দেখছি। 

সবাই ছুটছে আপন মনে আপন টানে"
হঠাৎ অন্ধকার পরছে দূরবীপাকে। 

আমি শুন্যে স্থানে দারিয়ে দেখছি। 
অপেক্ষা করছি এক নতুন ভোর।


তোমায় খুজি 

আবদুর রহমান 

চোখ যায় আমার যেথায়, 
তোমায় আমি খুঁজে বেরাই হেথায়।

চোখ যায় আমার দূর বলাকায়, 
চোখ যায় আমার দূর দূর নিলিমায়!
তোমায় আমি খুঁজে বেরাই হেথায়। 

আমি তাকাই সমুদ্র পানে ঐ, 
ঢেউ এর বানে দূর বহু দূর 
চোখ যায় আমার যেথায়, 
তোমায় আমি খুঁজে বেরাই হেথায়। 

চোখ যায় আমার বিকেলের শেষে,
সেজেছে বলাকা রঙিন শাজে, 
চোখ যায় আমার গোধূলির পানে সূর্য ঢলেছে প্রান্ত শেষে, 
চোখ যায় আমার যেথায়, 
তোমায় আমি খুঁজে বেরাই হেথায়। 

চোখ যায় আমার যেথায় 
ধূসর বরফের মাঝে, 
বইছে শীতল হাওয়া, 
যমে গেছে ঝর্ণা ধারা ! 
চোখ যায় আমার যেথায়, 
তোমার আমি খুঁজে বেরাই হেথায়। 

চোখ যায় আমার যেথায়, 
ধূলিসাৎ ধ্বংসস্তুপের মাঝে,
আছে যা বাকি ধূলোয় মাখা মাখি।
চোখ যায় আমার যেথায়, 
তোমায় আমি খুঁজে বেরাই হেথায়। 

চোখ যায় আমার যেথায়, 
মরুর দেশে উত্তপ্ত বালুকায়, 
তাকিয়ে পূর্ব,পশ্চিম,উত্তর,দক্ষিণ
তোমায় আমি খুঁজে বেরাই হেথায়।


বাংলা 

আবদুর রহমান 

এই বাংলায়, এই বাংলায় 
ও আমার বাংলায়। 

এ দেশে আবার কি ফীরবে 
বঙ্গ বন্দু ? 
এ দেশে আর কি যুদ্ধ হবে ! 
 
খোকা কি ফীরবে ঘরে, 
মাতো বসে আছে আজো দুয়ারে।

আসবে কি আর ফজলুল হক ? 
বিচার করবে খুনি দর্ষনের !
আসবে কি আর ভাসানী ? 
করতে  ইসলামের শাসন !

এই বাংলায়, এই বাংলায় 
ও আমার বাংলায়।

মা তুই আবার জন্ম দাও যদি ? 
কিংবাদন্তি এই বাংলায় !
শাস্তি পাবে তোর খোকার খুনি, 
ধংশো হবে শৌরাচারী।

আজ তোর পেটে আগুন জ্বলে কালকের মুজিব, ফজলুল হক, ভাসানী।
মা তুই ঘরেযা ঘরেযা....ঘরেযা,
ওরা যেনে যাবে....তোকে বাচতে দিবে না ! 

এই বাংলায়, এই বাংলায় 
ও আমার বাংলায়।  (৩)


শুভ  জন্মদিন

আবদুর রহমান

দেহ কষ্ট বুক ভরা আশা এসেছিলে মায়ের ভালোবাসা।
কোন এক লগ্নে দিয়েছিলে পারি সর্গ ছারি, এই বসুন্ধরায় !
শেদিন দেখেছিল শতপ্রাণ, পৃথীবি তোমায় করছিলো বরন।
শুক তারাটি এসেছিলো ঘরে, মা তোমার দেখছিলো প্রাণ ভরে।
সূর্যদয় সূর্যতনয় বছর যায় কেটে 
এই দিন এসেছিলে তুমি  পৃথীবি মায়ায় টানে"
বছর ঘুরে দিনটি এসেছে সপ্ন সুখের বহর নিয়ে ! 
যত্নে রাখিও সপ্ন আশা বছর করিতে পার।
দোয়া করি তুমি পৃথীবির মাঝে বেছে থাকো শতকাল।

1 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন